শত্রুর অত্যাচার থেকে বাঁচার দোয়া

 

 


শত্রুর হাত থেকে বাঁচার সূরা | Mizanur Rahman Azhari

 

   শত্রুর ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার পরীক্ষিত আমল দোয়া | শত্রুকে ধ্বংস করার দোয়া আমল |Tahsin Jubayer"    (৪০ সুরা ৪৪ আয়াত)



শত্রু কঠিন শাস্তি পাবে। শত্রর মুখ লজ্জায় বন্ধ হবে। Islamic life"

    শত্রুকে ধংশ করার দোয়া আমল|| শত্রুকে চিরতরে শেষ করার আমল| শত্রু দমনের দোয়া |জ্বিন ও যাদুর চিকিৎসা।" (সুরা লাহাব)

শত্রুর অত্যাচার থেকে বাঁচার দোয়া

اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَتِي ‏‏ وَآمِنْ رَوْعَاتِي


اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَتِي ‏‏ وَآمِنْ رَوْعَاتِي

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মাস তুর আওরাতি ওয়া আমিন রাওয়াআতি।’ (মুসনাদে আহমাদ)
অর্থ : হে আল্লাহ আমাদের সকল দুর্বলতাকে আপনি ঢেকে রাখুন এবং আমাদের অস্থিরতাকে স্থিরতায় পরিণত করুন।
উৎস : খন্দকের যুদ্ধের সময় সাহাবায়ে কেরামগণ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আবেদন করলাম হে আল্লাহর রাসুল! এ কঠিন মুহূর্তে আমাদের জন্য কোনো দোয়া আছে কি? তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট এভাবে দোয়া কর। সাহাবায়ে কেরামগণ উপরোক্ত দোয়াটি করলে আল্লাহ তাআলা বাতাসের মাধ্যমে শত্রু বাহিনীকে ধ্বংস করে দেন।
সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত, বিপদাপদে উক্ত দোয়া পড়ে আল্লাহ তাআলার সাহায্য লাভ করা। আল্লাহ সবাইকে তাঁর সাহায্য নসিব করুন। আমিন।(@৫৩৪)..

()বিপদে পড়েননি এমন মানুষ খুজে পাওয়া ভার। সবাই কম-বেশি বিপদে পড়েছেন। কেউ একবার আর কেউ বহুবার। কিন্তু কখনো কি বিপদে পড়লে কোন দোয়া পড়েছেন? হয়তো বলবেন, বিপদের সময় দোয়া পড়ার কথা মনেই থাকে না।

একটি দোয়া পাঠ করলেই ভীষন বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। স্বয়ং আল্লাহ তা’য়ালা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। মূল্যবান সেই দোয়াটি এবার আমরা জনবো। দোয়াটি হলো- ‘আল্লাহুম্মাস তুর আওরাতীনা ওয়া আমীন রাওয়াতীনা’।
প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বর্ননা করেন, খন্দকের যুদ্ধের সময় আমরা আল্লাহর রাসুল (সাঃ) এর নিকট আরয করলাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! এ নাযুক মুহুর্তের জন্য কি কোন দোয়া আছে? আতংকের আতিশায্যে আমাদের হৃদপিন্ড যেন কন্ঠনালী পর্যন্ত এসে যাচ্ছে।
উত্তরে রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর দরবারে এ ভাবে দোয়া কর, ‘আল্লাহুম্মাস তুর আওরাতীনা ওয়া আমীন রাওয়াতীনা’ অর্থাৎ হে আল্লাহ! আমাদের সকল দুর্বলতাকে ঢেকে রাখুন এবং আমাদের আস্থিরতাকে স্থিরতায় পরিনত করুন।
হযরত আবু সাঈদ খুদরী(রাঃ) বলেন, আল্লাহ তায়া’লা বাতাস পাঠিয়ে শত্রুদের মুখ থুবড়ে দিলেন এবং বাতাসের মাধ্যমেই তাদেরক ধ্বংস করে দিলেন।
اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَتِي ، وَآمِنْ رَوْعَتِي وَاقْضِ عَنِّي دَيْنِي

উচ্চারণঃ-আল্লা-হুম্মাসতুর আউরাতী অআমিন রাউআতী অকয্বি আন্নী দাইনী।

অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি আমার গোপনীয় ত্রুটিকে গোপন কর,ভয় থেকে নিরাপত্তা দাও এবং আমার তরফ থেকে আমার ঋণ পরিশােধ করে দাও। (সহীহুল জমে’ ১২৬২ নং)

শত্রুর অত্যাচার থেকে বাঁচার দোয়া

      আল্লাহ্‌র কসম শ্রেষ্ঠ ও ছোট দোয়াটা পড়ুন শত্রু ক্ষতি করতে পারবে না ! Abdul Hi Muhammad Saifullah" 


"‏ اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ ‏"‏ ‏.‏
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম ওয়া নাউজুবিকা মিন শুরুরিহিম

অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তাদের মোকাবেলায় আপনাকে যথেষ্ট ভাবছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

সূত্র : আবু বুরদা ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন কোনো সম্প্রদায় দ্বারা ক্ষতির আশঙ্কা করতেন, তখন এই দোয়া পড়তেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৫৩৭)
শত্রুতা থেকে মুক্ত থাকতে যে দোয়া পড়বেন
সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যারা অটল ও অবিচল, আল্লাহ তাআলা তাদের ভালোবাসেন। দুনিয়াতে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে গেলে মানুষের ওপর অশুভ শক্তির পক্ষ থেকে বিপদ-মুসিবত আসে। বিপদ-মুসিবত মোকাবেলার পাশাপাশি সর্বাবস্থায় আল্লাহ তাআলার সাহায্য কামনা করা আবশ্যক কর্তব্য। কারণ আল্লাহর সাহায্যই বান্দার জন্য সবচেয়ে বড় সাহায্য।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুশমনের দুশমনি থেকে আত্মরক্ষায় ন্যায় ও সত্যের পক্ষে কাজ করা নির্দোষ মানুষের জন্য আল্লাহর সাহায্য কামনা করার জন্য হাদিসে বিশেষভাবে তাগিদ দিয়েছেন।হজরত আবু মুসা আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কোনো দল সম্পর্কে (শত্রুতার) ভয় করতেন, তখন বলতেন-উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্না নাঝ্‌আ’লুকা ফি নুহুরিহিম, ওয়া নাউ’জুবিকা মিন শুরুরিহিম।অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমরা তোমাকে শত্রুর মোকাবেলায় পেশ করছি, তুমিই তাদের দমন কর। আর তাদের অনিষ্ট থেকে তোমার নিকট আশ্রয় চাই।’ (আবু দাউদ, মিশকাত)উল্লেখ্য যে, হাদিসে নির্দেশিত দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা প্রত্যেক মুসলমানের একান্ত কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর হুকুম-আহকাম পালনের পাশাপাশি সর্বদা বিপদাপদে, শত্রুর মোকাবেলায় তারই সাহায্য কামনা করার তাওফিক দান করুন। দ্বীন ও ইসলামের আশ্রয়ে থাকার তাওফিক দান করুন।
   এই দোয়া নামুমকিলকো মুমকিল হয়,দূষমোনের ষরোযন্ত্র রোধ করে, যাদু জিন্নাতের হামলা রোধ করে।(@৫৩৪)..
৩৭১. শত্রুর ভয়ে ভীত অবস্থায় পাঠ করার দু'আ।
"‏ اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ ‏"‏ ‏.‏
১৫৩৭. মাহাম্মাদ ইব্‌নুল মুছান্না (রহঃ) ..... আবু বুরদা ইব্‌ন আবদুল্লাহ্‌ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তাঁর পিতা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন যে, যখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন সম্প্রদায়ের তরফ হতে কোনরূপ বিপদের আশংকা করতেন তখন এরূপ বলতেনঃ “ইয়া আল্লাহ! আমরা আপনাকে তাদের সাথে মুকাবেলার জন্য যথেষ্ট মনে করি এবং তাদের অত্যাচার-অবিচার হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি।” (আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফী নুহূরিহিম ওয়া নাউযুবিকা মিন শুরূরিহিম)। (নাসাঈ, আবু দাউদ১৫৩৭)।

শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ

(1) «اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِم، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ».

(আল্লা-হুম্মা ইন্না নাজ্‘আলুকা ফী নুহূরিহিম ওয়া না‘উযু বিকা মিন শুরূরিহিম)।

(১) “হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে তাদের গলদেশে রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”[7]

(2) «اللَّهُمَّ أَنْتَ عَضُدِي، وَأَنْتَ نَصِيرِي، بِكَ أَحُولُ وَبِكَ أَصُولُ، وَبِكَ أُقاتِلُ».

(আল্লহুম্মা আনতা ‘আদ্বুদী, ওয়া আনতা নাসীরী, বিকা আহূলু, ওয়া বিকা আসূলু, ওয়া বিকা উক্বা-তিলু)।

(২) “হে আল্লাহ! আপনি আমার শক্তি এবং আপনি আমার সাহায্যকারী; আপনারই সাহায্যে আমি বিচরণ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমন করি এবং আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি।”[8]

(3) «حَسْبُنا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ».

(হাসবুনাল্লা-হু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল)।

(৩) “আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক”।[9]

শত্রু থেকে মুক্তির দোয়া ও শত্রুর ওপর বদ দোআ

শত্রু থেকে মুক্তির দোয়া ও শত্রুর ওপর বদ দোআ

শত্রু থেকে মুক্তির দোয়া ও শত্রুর ওপর বদ দোআ << হিসনুল মুসলিম এর মুল সুচিপত্র দেখুন

শত্রু থেকে মুক্তির দোয়া ও বদ দোআ

৩৬. শত্রু এবং শক্তিধর ব্যক্তির সাক্ষাতকালে দো‘আ

اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِم، وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ

(আল্লা-হুম্মা ইন্না নাজ্‘আলুকা ফী নুহূরিহিম ওয়া না‘উযু বিকা মিন শুরূরিহিম)।

১২৬-(১) “হে আল্লাহ! আমরা আপনাকে তাদের গলদেশে রাখছি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”

আবু দাঊদ ২/৮৯, নং ১৫৩৭; আর হাকেম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং ইমাম যাহাবী একে সমর্থন করেছেন ২/১৪২।

اللَّهُمَّ أَنْتَ عَضُدِي، وَأَنْتَ نَصِيرِي، بِكَ أَحُولُ وَبِكَ أَصُولُ، وَبِكَ أُقاتِلُ

(আল্লহুম্মা আনতা ‘আদ্বুদীওয়া আনতা নাসীরীবিকা আহূলুওয়া বিকা আসূলুওয়া বিকা উক্বা-তিলু)।

১২৭-(২) “হে আল্লাহ! আপনি আমার শক্তি এবং আপনি আমার সাহায্যকারী; আপনারই সাহায্যে আমি বিচরণ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমণ করি এবং আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি।”

আবূ দাউদ ৩/৪২, নং ২৬৩২; তিরমিযী ৫/৫৭২, নং ৩৫৮৪। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৮৩।

حَسْبُنا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

 (হাসবুনাল্লা-হু ওয়া নিমাল ওয়াকীল)।

১২৮-(৩) “আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক”।

বুখারী ৫/১৭২, নং ৪৫৬৩।

৩৭. শাসকের অত্যাচারের ভয় করলে পড়ার দো‘আ

اللَّهُمَّ ربَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، كُنْ لِي جَاراً مِنْ فُلاَنِ بْنِ فُلاَنٍ، وَأَحْزَابِهِ مِنْ خَلاَئِقِكَ، أَنْ يَفْرُطَ عَلَيَّ أَحَدٌ مِنْهُمْ أَوْ يَطْغَى، عَزَّ جَارُكَ، وَجَلَّ ثَنَاؤُكَ، وَلاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ

(আল্লা-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তিস সাবওয়া রব্বাল আরশিল আযীম। কুন লী জারান মিন্ ফুলানিবনি ফুলানিনওয়া আহযাবিহী মিন খালায়েক্বিকাআঁই ইয়াফরুত্বা আলাইয়্যা আহাদুম মিনহুম আও ইয়াত্বগাআয্যা জা-রুকাওয়া জাল্লা সানা-উকাওয়া লা ইলা-হা ইল্লা আনতা)।

১২৯-(১) “হে আল্লাহ, সাত আসমানের রব্ব! মহান আরশের রব্ব! আপনার সৃষ্টিকুলের মধ্য থেকে অমুকের পুত্র অমুকের বিপক্ষে এবং তার বাহিনীর বিরুদ্ধে আপনি আমার আশ্রয়দানকারী হোন; যাতে তাদের কেউ আমার ওপর দ্রুত আক্রমণ বা সীমালঙ্ঘন করতে না পারে। আপনার আশ্রিত তো শক্তিশালী, আপনার প্রশংসা তো অতি মহান। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।”

বুখারী, আল-আদাব আল-মুফরাদ, নং ৭১২। আর শাইখ আলবানী সহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে, নং ৫৪৫, একে সহীহ বলেছেন।

اللَّهُ أَكْبَرُ، اللَّهُ أَعَزُّ مِنْ خَلْقِهِ جَمِيعاً، اللَّهُ أَعَزُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ، أَعُوذُ بِاللَّهِ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ، الْمُمْسِكِ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ أَنْ يَقَعْنَ عَلَى الْأَرْضِ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، مِنْ شَرِّ عَبْدِكَ فُلاَنٍ، وَجُنُودِهِ وَأَتْبَاعِهِ وَأَشْيَاعِهِ، مِنْ الْجِنِّ وَالإِنْسِ، اللَّهُمَّ كُنْ لِي جَاراً مِنْ شَرِّهِمْ، جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَعَزَّ جَارُكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَلاَ إِلَهَ غَيْرُكَ

(আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হু আ‘আয্যু মিন খালক্বিহী জামীআন। আল্লাহু আ‘আয্যু মিম্মা আখা-ফু ওয়া আহযারু। আউযু বিল্লা-হিল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল মুমসিকুস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, আন ইয়াকা‘না আলাল্ আরদ্বি ইল্লা বিইযনিহী, মিন শাররি আবদিকা ফুলা-নিন, ওয়া জুনূদিহী ওয়া আতবা‘ইহী ওয়া আশইয়া‘ইহী মিনাল জিন্নি ওয়াল ইনসি। আল্লা-হুম্মা কুন লী জা-রান মিন শাররিহিম, জাল্লা সানা-উকা ওয়া ‘আয্যা জা-রুকা ওয়াতাবা-রকাসমুকা ওয়া লা ইলা-হা গাইরুকা)। (৩ বার)

১৩০-(২) “আল্লাহ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর ওপর পতিত হওয়া থেকে- (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জিন্ন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণাগুণ অতি মহান, আপনার আশ্রিত প্রবল শক্তিশালী, আপনার নাম

অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।” (৩ বার)

বুখারী, আল-আদাব আল-মুফরাদ, নং ৭০৮। আর শাইখ আলবানী সহীহ আল-আদাবুল মুফরাদ গ্রন্থে, নং ৫৪৬, একে সহীহ বলেছেন।

৩৮. শত্রুর ওপর বদ দো‘আ

اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيعَ الْحِسَابِ، اهْزِمِ الأَحْزَابَ، اللَّهُمَّ اهزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ

(আল্লা-হুম্মা মুনযিলাল কিতা-বি সারীআল হিসা-বি ইহযিমিল আহযা-ব। আল্লা-হুম্মাহযিমহুম ওয়া যালযিলহুম)।

১৩১- “হে আল্লাহ, কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রুবাহিনীকে পরাভূত করুন। হে আল্লাহ! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করে দিন।”

মুসলিম, ৩/১৩৬২, নং ১৭৪২।  

৩৯. কোনো সম্প্রদায়কে ভয় করলে যা বলবে

اللَّهُمَّ اكْفِنِيهِمْ بِمَا شِئْتَ

(আল্লা-হুম্মাকফিনীহিম বিমা শিতা)।

১৩২- “হে আল্লাহ! আপনি যা ইচ্ছে তা দ্বারাই এদের মোকাবেলায় আমার জন্য যথেষ্ট হোন।”

মুসলিম ৪/২৩০০, নং ৩০০৫।

   শত্রু ধ্বংস হবে, নিপাত যাবে। দোয়াটি পড়ুন। Islamic life" 


১০সুরা ৮৫-৮৬ আয়াত



শত্রুর অত্যাচার থেকে বাঁচার দোয়া শত্রুর অত্যাচার থেকে বাঁচার দোয়া Reviewed by Adam Blog on April 29, 2023 Rating: 5
Powered by Blogger.